1. hannan.sottokontho@gmail.com : Hannan Shekh : Hannan Shekh
  2. rabiulkarim@sottokhontho.com : Rabiul Karim : Rabiul Karim
নবীনগরে এলপিজি গ্যাসের দামে অনিয়ম, বাড়তি দামের চাপে ভোক্তারা - সত্যকণ্ঠ সংবাদ    
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে হ্যাঁ ও না ভোট বিষয়ে অবহিতকরণ ও মতবিনিময় সভা সোলার সেচের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে ঢাকায় আইইবির সেমিনার অনুষ্ঠিত সৈয়দপুরে রাবেয়া বাজারের সিঙ্গার শোরুম পরিচালককে ঘিরে নানা অভিযোগ হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস পালন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত ময়নাল হোসেন চৌধুরী ও ইব্রাহিম খলিল দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়ায় আলীকদম প্রেসক্লাবে তালা, অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা হিলিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত নবীনগরে পারিবারিক বিরোধের জেরে বিয়াইয়ের হাত ভাঙার অভিযোগ, নারীসহ আহত একাধিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হলো: মনোহরগঞ্জে বিএনপি মিডিয়া সেল ও সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা বদরগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

নবীনগরে এলপিজি গ্যাসের দামে অনিয়ম, বাড়তি দামের চাপে ভোক্তারা

  • আপডেটের সময়: সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮ ভিউ
নবীনগরে এলপিজি গ্যাসের দামে অনিয়ম, বাড়তি দামের চাপে ভোক্তারা

নবীনগরে এলপিজি গ্যাসের দামে অনিয়ম, বাড়তি দামের চাপে ভোক্তারা

প্রতিবেদক: আরিফুর ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দামে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত সরকারি মূল্য উপেক্ষা করে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির ফলে সাধারণ ভোক্তারা প্রতিনিয়ত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজার অস্থির রাখা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নবীনগরে প্রতিদিন এলপিজি গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৬০ হাজার সিলিন্ডার। তবে বিভিন্ন কোম্পানি সময়বিশেষে সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে দাম বাড়িয়ে দেয়। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৭০০ টাকায় পৌঁছেছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।

নবীনগর উপজেলায় বসুন্ধরা, বিএম, ডেলটা, ইউনিক, জি, ওমেরা, পেট্রোমেক্স, পদ্মা, সান জিএমআই, ওরিয়নসহ প্রায় ১৭টি কোম্পানির এজেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এজেন্টদের দাবি, তারা কোম্পানি থেকে নির্ধারিত দামে গ্যাস কিনে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সিলিন্ডারপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা লাভে বিক্রি করেন। তবে খুচরা পর্যায়ে সেই দাম আরও বাড়িয়ে সিলিন্ডারপ্রতি প্রায় ২৫০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত মুনাফা যোগ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই অতিরিক্ত মুনাফার বোঝা শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ছে ভোক্তাদের ওপর। ফলে রান্নার গ্যাস কিনতেই হিমশিম খাচ্ছে উপজেলার হাজারো পরিবার।

সরকারি সূত্র অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ২৫৩ টাকা। এর আগের মাসে এই দাম ছিল ১ হাজার ২১৫ টাকা, অর্থাৎ এক মাসে দাম বেড়েছে মাত্র ৩৮ টাকা। কিন্তু বাস্তব বাজারে নির্ধারিত এই মূল্য কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিইআরসির হিসাব অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা। অন্যদিকে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও অভিযান পরিচালনা করলেও অনিয়ম পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযানের পর সাময়িকভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও কিছুদিন পর আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।

এলাকাবাসীর দাবি, গ্যাস কোম্পানির এজেন্ট ও খুচরা বিক্রেতাদের দামের কারসাজির বিরুদ্ধে নিয়মিত ও কঠোর নজরদারি জোরদার না করলে সাধারণ ভোক্তারা এভাবেই প্রতারিত হতে থাকবে।

সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2025 sottokontho.com

Desing & Developed BY ThemeNeed.com