1. hannan.sottokontho@gmail.com : Hannan Shekh : Hannan Shekh
  2. rabiulkarim@sottokhontho.com : Rabiul Karim : Rabiul Karim
জলঢাকায় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএফটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, অনিশ্চয়তায় কাজের ভবিষ্যৎ - সত্যকণ্ঠ সংবাদ    
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
যে শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করবে ইরান এবার শাকিবের সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন বুবলী সৌদি প্রো লিগে যোগ দিলেন মেসি মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান টক্কর যেখানে সেয়ানে-সেয়ানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ মঙ্গলবার নড়াইলে জমি নিয়ে বিরোধে যুবক নিহত, আহত ২ মৌলভীবাজারে দেয়ালঘড়ির গণসংযোগে দক্ষিণ সুরমা মজলিস সভাপতির অংশগ্রহণ নিরাপদ ও উন্নয়নবান্ধব নবীনগর গঠনের লক্ষ্যে নজুকে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম — পীর সাহেব চরমোনাই নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে হিলিতে রেলওয়ে কর্মচারীদের কর্মবিরতি জলঢাকায় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএফটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, অনিশ্চয়তায় কাজের ভবিষ্যৎ

জলঢাকায় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএফটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, অনিশ্চয়তায় কাজের ভবিষ্যৎ

  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩২ ভিউ
জলঢাকায় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএফটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, অনিশ্চয়তায় কাজের ভবিষ্যৎ

জলঢাকায় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএফটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, অনিশ্চয়তায় কাজের ভবিষ্যৎ

প্রতিবেদক: ওমর ফারুক, বিশেষ প্রতিনিধি, জলঢাকা

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন জলঢকা উপজেলার এসএফটি সেচ ক্যানেল সংস্কার প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ২০২২ সালে প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ এখনো চলমান থাকলেও কবে শেষ হবে—তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকল্পের কাজের গুণগত মান অত্যন্ত নিম্নমানের। ময়লা-আবর্জনা মিশ্রিত পাথর ও বালু ব্যবহার করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। স্থানীয়রা বলছেন, যেভাবে কাজ করা হচ্ছে, তাতে আরও দুই বছর সময় লাগলেও প্রকল্পটি শেষ করা সম্ভব হবে কি না—সেটি নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।

জানা গেছে, নির্ধারিত সময়সীমা ইতোমধ্যে দুইবার অতিক্রম হলেও তৃতীয়বারের মতো সময় না বাড়িয়েই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি। সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, পুরো প্রকল্পটি অনিয়মে ভরপুর। কেউ প্রশ্ন তুলতে গেলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়, “সিডিউল অনুযায়ীই কাজ করা হচ্ছে।”

এ বিষয়ে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মুছান্না গালিব ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “সাইনবোর্ড ছিল, কেউ খুলে ফেলেছে। কাজ তো চলমান—সমস্যা কোথায়?” তার এমন বক্তব্যকে এলাকাবাসী ‘জেনেও না জানার ভান’ বলে মন্তব্য করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিনেও কাজ শেষ না হওয়া সত্ত্বেও তথ্য জানতে চাইলে তিনি নানা অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যান।

এদিকে একই প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপসহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কাজ ফেলে রাখার কারণে চাষাবাদে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। সরকার কৃষকদের উন্নয়নের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও সঠিক সময়ে পানি সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসী। পুরো এলাকাজুড়ে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় বইছে।

এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলছেন, চার বছরে যদি কাজের অর্ধেক শেষ হয়, তাহলে বাকি অংশ শেষ করতে আরও কত বছর লাগবে? সংস্কারের নামে এই দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়মে আদৌ জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবে কি না—সে প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সচেতন মহলের মধ্যে।

সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2025 sottokontho.com

Desing & Developed BY ThemeNeed.com