1. hannan.sottokontho@gmail.com : Hannan Shekh : Hannan Shekh
  2. rabiulkarim@sottokhontho.com : Rabiul Karim : Rabiul Karim
হিলি খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করার অভিযোগ - সত্যকণ্ঠ সংবাদ    
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
যে শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করবে ইরান এবার শাকিবের সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন বুবলী সৌদি প্রো লিগে যোগ দিলেন মেসি মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান টক্কর যেখানে সেয়ানে-সেয়ানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ মঙ্গলবার নড়াইলে জমি নিয়ে বিরোধে যুবক নিহত, আহত ২ মৌলভীবাজারে দেয়ালঘড়ির গণসংযোগে দক্ষিণ সুরমা মজলিস সভাপতির অংশগ্রহণ নিরাপদ ও উন্নয়নবান্ধব নবীনগর গঠনের লক্ষ্যে নজুকে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম — পীর সাহেব চরমোনাই নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে হিলিতে রেলওয়ে কর্মচারীদের কর্মবিরতি জলঢাকায় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএফটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, অনিশ্চয়তায় কাজের ভবিষ্যৎ

হিলি খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করার অভিযোগ

  • আপডেটের সময়: রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭১ ভিউ
হিলি খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করার অভিযোগ

হিলি খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করার অভিযোগ

প্রতিবেদক: সাদ্দাম হোসেন নয়ন, হিলি প্রতিনিধি, হিলি (দিনাজপুর):

হিলি খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করার অভিযোগ উঠেছে গুদাম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। ধান ক্রয়ের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও কোনো ধান সংগ্রহ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। এতে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা।

কৃষকদের অভিযোগ, খোলা বাজারে ধানের দাম কম থাকায় সরকারি দরে ধান বিক্রির আশায় তারা খাদ্য গুদামে ধান নিয়ে গেলে সংগ্রহ না করে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে উৎপাদিত ধান বিক্রি নিয়ে চরম হতাশার মধ্যে পড়েছেন কৃষকরা। তাদের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবেই গুদাম কর্মকর্তা ধান ক্রয় করেননি। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে এলএসডি ওসি সাজেদুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “কয়েকজন কৃষক ধান নিয়ে এসেছিলেন। ধানের আর্দ্রতা বেশি থাকায় শুকিয়ে নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যেই ধান সংগ্রহের সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় আর ধান নেওয়া সম্ভব হয়নি।”

দিনাজপুর জেলা খাদ্যশস্য উৎপাদনে খ্যাত। জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোর কৃষকরা ধান উৎপাদনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। চলতি মৌসুমে উপজেলায় শতভাগ ধান কাটা ও মাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকের ঘরে ঘরে সোনালি ধানে ভরপুর হলেও সরকারি গুদামে বিক্রি করতে না পারায় হতাশা বাড়ছে।

সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের সময়সীমা ছিল ২০ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে নির্বাচনি বছরের কারণে তা পরিবর্তন করে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধানের সরকারি ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় কেজি প্রতি ৩৪ টাকা, যা প্রতি মণে ১ হাজার ৩৬০ টাকা।

কৃষকদের আরও অভিযোগ, প্রতিবছর ধান-চাল ক্রয়ে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে মাইকিং করা হলেও এ বছর তা করা হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতিকুর রহমান বলেন, কৃষকরা আবেদন করলে গুদামে ধান দিতে পারেন। তবে কয়েকজন কৃষক আবেদন করলেও কৃষি বিভাগ থেকে অনুমোদন না পাওয়ায় ধান ক্রয় সম্ভব হয়নি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় রোপা আমনের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ১১৮ হেক্টর, যা অর্জিত হয়েছে সম্পূর্ণভাবে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭ হাজার ৪২৪ মেট্রিক টন, আর অর্জন হয়েছে ২৭ হাজার ৬৮৬ মেট্রিক টন।

এদিকে কৃষকরা দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও সরকারি গুদামে ধান ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2025 sottokontho.com

Desing & Developed BY ThemeNeed.com