
বাদিয়াখালীতে মসজিদ সংলগ্ন সড়কের পাশে বিশাল ময়লার পাহাড় — দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থী ও পথচারী
প্রতিবেদক: মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, স্টাফ রিপোর্টার, গাইবান্ধা
গাইবান্ধা সদর উপজেলার পুরাতন বাদিয়াখালী আলাই নদীর পার্শে বাজারের ঢোকার মেইন সড়ক ঘেঁষে বিশাল ময়লার পাহাড় গড়ে উঠেছে। বাদিয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বাদিয়াখালী বাজারের জামে মসজিদ সংলগ্ন উত্তর পার্শে ঢোকার সড়কে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ময়লার দুর্গন্ধে মসজিদের মুসুল্লিরা নামাজ আদায় করতে সমস্যায় পড়ছেন। পথচারী, জনসাধারণ এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও নাক-মুখ চেপে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। আশপাশের এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠছে, যা দীর্ঘদিন ধরে কমছে না।
সরাসরি মাঠপরিদর্শনে দেখা গেছে, সড়কটির অনেকটা জায়গা দখল করে রাখা ময়লার স্তূপ ও সেখানে ঘোরাফেরা করা বেওয়ারিশ কুকুরের কারণে একাধিক মোটরসাইকেল চালক ইতোমধ্যে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারের সকল দোকান ও পথচারীরা প্রতিদিন বর্জ্য ফেলে যাচ্ছেন। নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশন বা জমি না থাকার কারণে বাধ্য হয়ে আঞ্চলিক সড়কের পাশেই বর্জ্য ফেলা হচ্ছে।
ময়লার পাহাড় সংলগ্ন এলাকার ভাড়াটিয়া ও স্থানীয়রা জানান, দুর্গন্ধের কারণে এখানে থাকা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশুদের খাবার খাওয়া প্রভাবিত হচ্ছে, অসুস্থ হয়ে পড়ছে এবং মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে গেছে। এমনকি আত্মীয়-স্বজনও এ এলাকায় আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন।
স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, স্থানীয় হাটকর্তৃপক্ষ যথাযথ মনোযোগ দিচ্ছেন না। জায়গার মালিকের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি বাড়িতে না থাকার কারণে বাজারের ঝাড়ুদার ও ব্যবসায়ীরা তার জায়গায় বর্জ্য ফেলে রাখছে। তবে হাটের পূর্ব পাশে সরকারি খাস জায়গা থাকা সত্ত্বেও সেখানে নজর দেয়া হচ্ছে না।
সচেতন মহল গাইবান্ধা জেলা পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ময়লার ভাগাড় সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা বলেন, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং রাস্তার নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।