
মোংলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
প্রতিবেদক: মো. রাজ হাওলাদার, মোংলা উপজেলা প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোংলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় মোংলা পৌর ও উপজেলা বিএনপির আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট–২ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী, মোংলা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি জনাব মো. জুলফিকার আলি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব মো. আ. মান্নান হাওলাদার, রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব মো. তুহিন হাওলাদার, মোংলা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাবুবুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন ও নুরুজ্জামান জনি।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মোংলা পোর্ট পৌরসভার ভ্যান–রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আ. সালাম ব্যাপারীসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা—ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, তাতী দল, শ্রমিক দল, মৎস্যজীবী দলসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। এরপর বিএনপির জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিবিসি নিউজ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার প্রদর্শন করা হয়। পরে তাঁর ঘোষিত “৩১ দফা রাষ্ট্র কাঠামো ও সংস্কারের অবকাঠামো” তুলে ধরা হয়।
প্রধান অতিথি জনাব মো. জুলফিকার আলি তাঁর বক্তব্যে বলেন—
“১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর দেশে একের পর এক অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের কারণে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সময়ে ৭ নভেম্বর সিপাহি ও সাধারণ জনগণ একত্রিত হয়ে বিপ্লব ঘটায়, যার মাধ্যমে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে আমূল পরিবর্তন আনেন।”
তিনি আরও বলেন—
“বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি আমাকে বাগেরহাট–২ (মোংলা, রামপাল, ফকিরহাট) আসনে দলীয় মনোনয়ন দেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এই আসনটি উপহার দেব।”
অনুষ্ঠানটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।
সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।