
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানছি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি দেশটির ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনায় বসতে রাজি হয়, তবে তেহরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে সমঝোতায় আসতে প্রস্তুত।
এক বিবৃতিতে তিনি বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে নমনীয়তার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে পারমাণবিক কর্মসূচির সীমাবদ্ধতা নিয়ে পুনরায় আলোচনা সম্ভব। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
রাভানছি বলেন, দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরানের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, যা মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে।
তিনি আরও জানান, ইরান একটি টেকসই ও সম্মানজনক চুক্তি চায়, যেখানে তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থের আইনি নিশ্চয়তা থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে ইরানের এই প্রস্তাব বৈশ্বিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি অনুসরণ করেছিল। তবে তেহরানের সাম্প্রতিক বার্তা আলোচনার নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহল পর্যবেক্ষণ করছে, ওয়াশিংটন এই আহ্বানে কীভাবে সাড়া দেয় এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে কোনো ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয় কি না।
সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।