
প্রতিবেদক: আব্দুল মতিন মুন্সী, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নাশকতার পরিকল্পনা, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ এর ৬(২) ধারায় চারটি মামলা করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। এসব মামলায় বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধিসহ ১৭৭ জনকে নামীয় এবং আরও ১১০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
চারটি মামলার মধ্যে দুইটি দায়ের করেছেন ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আফজাল হোসেন।
তৃতীয় মামলার বাদী এসআই প্রশান্ত কুমার মণ্ডল, যেখানে—
চতুর্থ মামলার বাদী এসআই রামপ্রসাদ চক্রবর্তী।
প্রতিটি মামলায় আরও অজ্ঞাত বহু ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। চার মামলায় মোট প্রায় দেড় হাজার ব্যক্তিকে আসামির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মামলার তালিকায় রয়েছেন বর্তমান ও সাবেক ১৬ জন ইউপি চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মোট নামীয় আসামি ১৭৭ জন, অজ্ঞাত ১১০০ জন।
গত ১৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগের ঘোষিত লকডাউন কর্মসূচির দিন পুলিয়া, মুনসুরাবাদ, সুয়াদি ও পুখুরিয়া এলাকায় ঢাকা–খুলনা, ঢাকা–বরিশাল মহাসড়ক এবং ঢাকা–ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন স্থানে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
পুলিশ দাবি করছে, মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ছিল পরিকল্পিত নাশকতার অংশ। ঘটনার পরদিনই চারটি মামলা রুজু করা হয়।
ভাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন—
“সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ এর ৬(২) ধারার আওতায় নাশকতার পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, সমর্থন, অর্থায়ন এবং সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মিলায় চারটি মামলা করা হয়েছে। ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার উপাদানও পাওয়া গেছে।”
সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।