1. hannan.sottokontho@gmail.com : Hannan Shekh : Hannan Shekh
  2. rabiulkarim@sottokhontho.com : Rabiul Karim : Rabiul Karim
কোচিং বাণিজ্য করে হাজার কোটি টাকা লোপাট—জাতিকে মেধাশূন্য করার গভীর ষড়যন্ত্র! - সত্যকণ্ঠ সংবাদ    
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
যে শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করবে ইরান এবার শাকিবের সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন বুবলী সৌদি প্রো লিগে যোগ দিলেন মেসি মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান টক্কর যেখানে সেয়ানে-সেয়ানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ মঙ্গলবার নড়াইলে জমি নিয়ে বিরোধে যুবক নিহত, আহত ২ মৌলভীবাজারে দেয়ালঘড়ির গণসংযোগে দক্ষিণ সুরমা মজলিস সভাপতির অংশগ্রহণ নিরাপদ ও উন্নয়নবান্ধব নবীনগর গঠনের লক্ষ্যে নজুকে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম — পীর সাহেব চরমোনাই নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে হিলিতে রেলওয়ে কর্মচারীদের কর্মবিরতি জলঢাকায় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএফটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, অনিশ্চয়তায় কাজের ভবিষ্যৎ

কোচিং বাণিজ্য করে হাজার কোটি টাকা লোপাট—জাতিকে মেধাশূন্য করার গভীর ষড়যন্ত্র!

  • আপডেটের সময়: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭২ ভিউ
কোচিং বাণিজ্য করে হাজার কোটি টাকা লোপাট—জাতিকে মেধাশূন্য করার গভীর ষড়যন্ত্র!

কোচিং বাণিজ্য করে হাজার কোটি টাকা লোপাট—জাতিকে মেধাশূন্য করার গভীর ষড়যন্ত্র!

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ আসাদুজ্জামান

বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা, অভিভাবকদের উদ্বেগ এবং ভালো ফলাফলের তীব্র প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ২০–৩২ হাজার কোটি টাকার এক বিরাট কোচিং-বাণিজ্য। সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও বিভিন্ন পদক্ষেপ থাকা সত্ত্বেও এই বাণিজ্য যেন অপ্রতিরোধ্য। শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার হলেও তা এখন পরিণত হয়েছে লাভের বাণিজ্যে—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

📌 শিক্ষক ও অভিভাবকের বাধ্যবাধকতা–নির্ভরতার চক্র

অভিযোগ রয়েছে, অনেক শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে যথাযথ পাঠদান না করে শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে যেতে বাধ্য করেন। ফলে অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের ওপর তৈরি হয় অনবরত চাপ।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মানহীন পাঠদানের কারণে শিক্ষার্থীরা বিকল্প হিসেবে কোচিংকে বেছে নিতে বাধ্য হয়।

এ ছাড়া অধিকাংশ কোচিং সেন্টার স্থানীয় সরকার সংস্থা থেকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিবন্ধন নিলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো তদারকি থাকে না। এই সুযোগে কিছু অসাধু শিক্ষক প্রশ্নফাঁসের মতো অপরাধেও জড়িয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

📌 অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়ছে

এই বাণিজ্যের ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। আর্থিকভাবে দুর্বল শিক্ষার্থীরা কোচিং সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে।

কোচিং নির্ভরতার ফলে সৃজনশীলতার চেয়ে মুখস্থবিদ্যার ওপর বেশি জোর দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

📌 সরকারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা

কোচিং-বাণিজ্য বন্ধে সরকার ও আদালত একাধিক নির্দেশ দিয়েছে:

  • ২০১২: সরকার কোচিং নিষিদ্ধ করার নীতিমালা জারি করে।
  • ২০১৯: হাইকোর্ট নীতিমালা বহাল রাখে।
  • ২০১৭: দুদক অনিয়মে জড়িত শিক্ষকদের শাস্তির সুপারিশ করে।

যদিও এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে মামলার চাপ, দুর্বল নিবন্ধন ব্যবস্থা এবং তদারকির অভাব—এই ব্যর্থতার মূল কারণ।

📌 সমাধানে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ

  1. কোচিং সেন্টারগুলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে কঠোর তদারকি।
  2. শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও সুবিধা বৃদ্ধি, শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিতকরণ।
  3. পরীক্ষার ধরন পরিবর্তন করে সৃজনশীল ও বিশ্লেষণমূলক প্রশ্ন যুক্ত করা।
  4. সামগ্রিক শিক্ষা সংস্কার করে কোচিং-নির্ভরতা কমানো।

শিক্ষাব্যবস্থার এই সংকট সমাধান জরুরি—না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মেধাহীনতার ঝুঁকিতে পড়বে বলে আশঙ্কা শিক্ষাবিদদের।


সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2025 sottokontho.com

Desing & Developed BY ThemeNeed.com