1. hannan.sottokontho@gmail.com : Hannan Shekh : Hannan Shekh
  2. rabiulkarim@sottokhontho.com : Rabiul Karim : Rabiul Karim
সাঘাটায় সিজুর মৃত্যু ঘিরে রহস্যের বেড়াজাল, প্রশ্নের ঝড়! - সত্যকণ্ঠ সংবাদ    
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
যে শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করবে ইরান এবার শাকিবের সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন বুবলী সৌদি প্রো লিগে যোগ দিলেন মেসি মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান টক্কর যেখানে সেয়ানে-সেয়ানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ মঙ্গলবার নড়াইলে জমি নিয়ে বিরোধে যুবক নিহত, আহত ২ মৌলভীবাজারে দেয়ালঘড়ির গণসংযোগে দক্ষিণ সুরমা মজলিস সভাপতির অংশগ্রহণ নিরাপদ ও উন্নয়নবান্ধব নবীনগর গঠনের লক্ষ্যে নজুকে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম — পীর সাহেব চরমোনাই নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে হিলিতে রেলওয়ে কর্মচারীদের কর্মবিরতি জলঢাকায় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএফটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, অনিশ্চয়তায় কাজের ভবিষ্যৎ

সাঘাটায় সিজুর মৃত্যু ঘিরে রহস্যের বেড়াজাল, প্রশ্নের ঝড়!

  • আপডেটের সময়: শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫
  • ১২০ ভিউ
সাঘাটায় সিজুর মৃত্যু ঘিরে রহস্যের বেড়াজাল, প্রশ্নের ঝড়!

সাঘাটায় সিজুর মৃত্যু ঘিরে রহস্যের বেড়াজাল, প্রশ্নের ঝড়!

✍️ প্রতিবেদক: মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সাঘাটা থানায় সদরের বাসিন্দা সিজু মিয়ার রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম উদ্বেগ, শঙ্কা ও অসংখ্য প্রশ্ন।

গাইবান্ধা সদরের দুলাল হোসেনের পুত্র সিজু মিয়া কী কারণে সাঘাটা থানায় গিয়েছিলেন, কার সঙ্গে এবং কী উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন—তা এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে জনমনে তৈরি হয়েছে নানা গুঞ্জন ও সন্দেহ।

স্থানীয়দের কেউ বলছেন, মোবাইল ফোন কেনা নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল সিজুর। কেউ বলছেন, মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় তিনি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে থানায় এসেছিলেন, কিন্তু তা না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। আবার কারও মতে, চাকরির দালালি বা আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে কোনো সমস্যার জেরেই এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে—“ফুলছড়ি-সাঘাটায় আমার কিছু হলে দায়ী সিজু”—এমন পোস্ট বা বক্তব্য কার? কেন লেখা হয়েছিল? এতে কোনো পূর্বশত্রুতার ইঙ্গিত রয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি রাখে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, সিজু থানায় ছুরি হাতে প্রবেশ করেন এবং একপর্যায়ে পুলিশের রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে ডিউটি অফিসারের কক্ষে ঢুকে পড়েন। সেখানে তিনি কাকে আক্রমণ করতে গিয়েছিলেন, সে প্রশ্নও আলোচনার কেন্দ্রে।

এতটা সাহস দেখানো ব্যক্তি কেন হঠাৎ দৌড়ে পুকুরে গিয়ে লাফ দিলেন? পুকুরের কিনারায় অল্প পানিতে তিনি কীভাবে “আত্মগোপন” করলেন—এ প্রশ্নও এখন রহস্যে ঘেরা।

ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিস বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। প্রায় ১০ ঘণ্টা পর ডুবুরি দল এসে পুকুর থেকে সিজুর মরদেহ উদ্ধার করে।

সিজুর পরিবারের দাবি, তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষ; কোনো মানসিক রোগে ভুগছিলেন না। অন্যদিকে, থানা কর্তৃপক্ষের দাবি—সিজু মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং মোবাইল ফোন হারানো সংক্রান্ত জিডি করতেই থানায় গিয়েছিলেন।

এএসপি জানান, তথ্য দিতে না পারায় এক কনস্টেবল তাকে অটোরিকশায় করে বাড়ি পৌঁছে দেন। কিন্তু পরে সিজু আবার ফিরে এসে ঘটনাটি ঘটান।

সিজুর মা জানান, চুরি হওয়া একটি মোবাইল ফোন তিনি কিনেছিলেন এবং সেটিকে কেন্দ্র করেই সমস্যার সূত্রপাত। তিনি জুনাইদ টেলিকম নামক দোকানের একজনকে দায়ী করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।

বর্তমানে সিজুর মৃত্যু নিয়ে এলাকায় তৈরি হয়েছে রহস্যের ঘনঘটা—এটি কি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা, নাকি কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের ফল?

সংশ্লিষ্ট সবার দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

📰 সত্যকণ্ঠ সংবাদ
“সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে”

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2025 sottokontho.com

Desing & Developed BY ThemeNeed.com