
চুয়াডাঙ্গায় ঘরে ঘরে জ্বর, হাসপাতালে রোগীর চাপে ডাক্তার-নার্সদের হিমশিম
প্রতিবেদক: চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু, চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গায় ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি-কাশি ও ভাইরাসজনিত সংক্রমণের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভিড় করছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওষুধের সরবরাহ যথেষ্ট থাকলেও রোগীর চাপ সামাল দিতে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সরা হিমশিম খাচ্ছেন।
হাসপাতালের মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডের বেড পূর্ণ থাকায় অনেক রোগীকেই মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, বিরূপ আবহাওয়া ও ডেঙ্গুর প্রভাবের কারণে বিভিন্ন ভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে গেছে। ফলে প্রতিদিনই গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ রোগী জ্বর, সর্দি ও কাশির উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন।
একজন রোগী সাইদুল ইসলাম বলেন, “গ্রামের ওষুধ খেয়েও আরাম হয়নি। শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে আসতে হলো।” অপরদিকে রোগী হাসনা বেগম জানান, “১০৪ ডিগ্রি জ্বর হয়েছিল। ডাক্তার বলেছেন এটা ভাইরাসজনিত জ্বর। তবে ওষুধ নিলে সুস্থ হয়ে যাব।”
রোগীর স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন, হাসপাতালে শয্যা সংকটের কারণে মেঝেতে ভর্তি হতে হচ্ছে, যা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। ফলে অনেকে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে আছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস বলেন—
“প্রতিদিনই দুই শতাধিক জ্বর-আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। আমরা বর্হিবিভাগে চিকিৎসা দিচ্ছি এবং পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ রয়েছে। জ্বরটি ভাইরাসজনিত, তবে তা মারাত্মক আকারে যায়নি।”
এদিকে হাসপাতালের চারপাশে নোংরা পরিবেশ ও অতিরিক্ত ভিড় রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সত্যকণ্ঠ সংবাদ
“সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে”