1. hannan.sottokontho@gmail.com : Hannan Shekh : Hannan Shekh
  2. rabiulkarim@sottokhontho.com : Rabiul Karim : Rabiul Karim
প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে বিসিআইসির সার কালোবাজারে, ভোগান্তিতে কৃষক - সত্যকণ্ঠ সংবাদ    
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
যে শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করবে ইরান এবার শাকিবের সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন বুবলী সৌদি প্রো লিগে যোগ দিলেন মেসি মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান টক্কর যেখানে সেয়ানে-সেয়ানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ মঙ্গলবার নড়াইলে জমি নিয়ে বিরোধে যুবক নিহত, আহত ২ মৌলভীবাজারে দেয়ালঘড়ির গণসংযোগে দক্ষিণ সুরমা মজলিস সভাপতির অংশগ্রহণ নিরাপদ ও উন্নয়নবান্ধব নবীনগর গঠনের লক্ষ্যে নজুকে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম — পীর সাহেব চরমোনাই নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে হিলিতে রেলওয়ে কর্মচারীদের কর্মবিরতি জলঢাকায় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএফটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, অনিশ্চয়তায় কাজের ভবিষ্যৎ

প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে বিসিআইসির সার কালোবাজারে, ভোগান্তিতে কৃষক

  • আপডেটের সময়: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭১ ভিউ
প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে বিসিআইসির সার কালোবাজারে, ভোগান্তিতে কৃষক

প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে বিসিআইসির সার কালোবাজারে, ভোগান্তিতে কৃষক

প্রতিবেদক: মোঃ আসাদুজ্জামান, স্টাফ রিপোর্টার

বিসিআইসির (বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন) সার দীর্ঘদিন ধরে কালোবাজারে পাচার হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে দেখা গেছে, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সরকারি ভর্তুকির সার কৃষকের কাছে পৌঁছানোর আগেই তা অবৈধভাবে বিক্রি করে বিপুল মুনাফা লুটছে। সার সংকট তৈরি করে কৃষকদের উচ্চমূল্যে সার কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

অসাধু ডিলার, পরিবহন ঠিকাদার এবং তাদের ছত্রচ্ছায়ায় থাকা কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিই এ সিন্ডিকেটের মূল চালিকা শক্তি। তারা নির্ধারিত দোকানে সারের নামফলক ঝুলিয়ে রাখলেও বাস্তবে সেখানে সার বিক্রি হয় না। ফলে কৃষকরা বাধ্য হয়ে কালোবাজারীদের কাছ থেকে বেশি দামে সার সংগ্রহ করেন।

গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে, নৌপথে আমদানিকৃত সার খালাসে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা হয়, যাতে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি খুলনার বিভিন্ন ঘাট থেকে খালাস হওয়া ইউরিয়া সার চুয়াডাঙ্গায় পৌঁছানোর আগেই কালোবাজারে বিক্রি হয়ে যায়। ওই ঘটনায় প্রায় ২০ টন সার প্রশাসন জব্দ করে।

এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে।
২০২১ সালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স পোটন ট্রেডার্স-এর বিরুদ্ধে ৭২ হাজার মেট্রিক টন সার আত্মসাতের অভিযোগ উঠে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক ছিলেন প্রাক্তন সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান। হাইকোর্ট এ ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেন। আরও আগে ‘নবাব অ্যান্ড কোম্পানি’ ৬৪ হাজার টন সার আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়।

সিন্ডিকেট শক্তিশালী হওয়ায় অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত হলেও তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান—এমন অভিযোগও রয়েছে।

সারের দক্ষ বিতরণে স্বচ্ছতা আনতে সরকার নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে, যেখানে দরপত্র প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন, ডিলারের সংখ্যা বৃদ্ধি, পরিবহন মনিটরিংসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়ন এখনো চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

সারের কালোবাজারীকরণ কৃষি উৎপাদন ব্যাহত করছে এবং কৃষকদের চরম ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সাধারণ কৃষকদের দাবি—এই সিন্ডিকেট ভেঙে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সার সংকট কখনোই দূর হবে না।


সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2025 sottokontho.com

Desing & Developed BY ThemeNeed.com