
প্রতিবেদক: সামসুজ্জামান, বদরগন্জ উপজেলা প্রতিনিধি
রংপুরের তারাগঞ্জ থানার জাবেদ আলী হত্যা মামলায় রহস্য উদঘাটন করে জেলা পুলিশ মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মারুফাত হুসাইন এর দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট মাঠে নামে।
২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ রাতে সৈয়দপুর থানা এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্ত মোঃ আব্দুল হামিদ (৬৯), পিতা-মৃত নেজাম উদ্দিন, মাতা-মৃত অবিরন নেছা, উপজেলা-লক্ষনপুর, জেলা নীলফামারী। অভিযানের সময় হত্যাকাণ্ডের আলামত হিসেবে একটি ধারালো দা, একটি মোবাইল এবং একটি চাদর উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, জাবেদ আলী কবিরাজি পেশার পাশাপাশি রাতের বেলা পাখি শিকার করতেন। গত ২৪ ডিসেম্বর তার লাশ ডালিয়া ক্যানেলের পাশে গলা কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। হত্যাকারী আব্দুল হামিদ হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। জবানবন্দিতে জানা গেছে, আব্দুল হামিদ দীর্ঘদিন ধরে জাবেদের কাছে টাকা-পয়সা চেয়ে আসছিলেন। ২৪ ডিসেম্বর রাত ১২টায় আলমপুর ডালিয়া ক্যানেলে জাবেদ আলী ও আব্দুল হামিদ একসাথে রুটি ও জুস নাস্তা করেন। টাকা ফেরতের দাবিতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আব্দুল হামিদ জাবেদ আলীর ঘুমের সময় বাশ কাটা দা দিয়ে ঘা প্রহার করে হত্যার ঘটনা ঘটান।
গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পুলিশ স্কটসহ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন, এবং তদন্ত শেষ হলে পুলিশ রিপোর্ট আদালতে দাখিল করা হবে।
সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।