
হিলি স্থলবন্দরে কমেছে চালের দাম, লোকশানে আমদানিকারকরা
প্রতিবেদক: সাদ্দাম হোসেন নয়ন, হিলি প্রতিনিধি
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ভারতীয় চালের পাইকারি বাজারে নেমেছে দাম। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে সোনা জাতের চালের দাম। আগের সপ্তাহে যেখানে সোনা জাতের চাল বিক্রি হয়েছে ৬৫–৬৬ টাকায়, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৬০–৬১ টাকা কেজি দরে।
পাইকাররা জানান, দেশের বাজারে নতুন চাল উঠতে শুরু করায় ভারতীয় চালের চাহিদা কমে গেছে। সেই তুলনায় আমদানি করা চালের দাম এখনও বেশি হওয়ায় বাজার ধরা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের দাবি—ভারতীয় চালের দাম আরও কমানো প্রয়োজন।
অপরদিকে আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি হওয়ায় এবং ক্রেতা সংকটের কারণে কম দামে চাল বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতিদিন বন্দর এলাকায় পাইকারদের সেই আগের মতো ভিড় চোখে পড়ছে না। আগের যেখানে প্রতিদিন ১০০–১২০ ট্রাকে চাল আমদানি হতো, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২০–৩০ ট্রাকে।
আমদানিকারক দিনেশ পোদ্দার বলেন,
“চাহিদা কমে গেছে, ক্রেতা প্রায় নেই। বাধ্য হয়ে দাম কমালেও লোকশান গুনতে হচ্ছে। যেহেতু দেশে নতুন ধান কাটতে শুরু করেছে, তাই কৃষকদের স্বার্থে চাল আমদানি বন্ধ করলে কৃষকরা ন্যায্য দাম পাবেন এবং আমদানিকারকরাও লোকশান এড়াতে পারবেন।”
হিলি শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এম.আর জামান বাধন জানান,
“হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি স্বাভাবিক হলেও আগের তুলনায় পরিমাণ অনেকটাই কমেছে। চাল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হওয়ায় দ্রুত ছাড়করণ করা হয়।”
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর দুই মাসে ৩ হাজার ৩১৬ ভারতীয় ট্রাকে মোট ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫২ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে।
সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে।