1. hannan.sottokontho@gmail.com : Hannan Shekh : Hannan Shekh
  2. rabiulkarim@sottokhontho.com : Rabiul Karim : Rabiul Karim
জুমার নামাজ না গেলে তেরেঙ্গানুতে ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান - সত্যকণ্ঠ সংবাদ    
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
যে শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করবে ইরান এবার শাকিবের সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন বুবলী সৌদি প্রো লিগে যোগ দিলেন মেসি মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান টক্কর যেখানে সেয়ানে-সেয়ানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ মঙ্গলবার নড়াইলে জমি নিয়ে বিরোধে যুবক নিহত, আহত ২ মৌলভীবাজারে দেয়ালঘড়ির গণসংযোগে দক্ষিণ সুরমা মজলিস সভাপতির অংশগ্রহণ নিরাপদ ও উন্নয়নবান্ধব নবীনগর গঠনের লক্ষ্যে নজুকে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম — পীর সাহেব চরমোনাই নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে হিলিতে রেলওয়ে কর্মচারীদের কর্মবিরতি জলঢাকায় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএফটি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, অনিশ্চয়তায় কাজের ভবিষ্যৎ

জুমার নামাজ না গেলে তেরেঙ্গানুতে ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান

  • আপডেটের সময়: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬৭ ভিউ
জুমার নামাজ না গেলে তেরেঙ্গানুতে ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান

জুমার নামাজ না গেলে তেরেঙ্গানুতে ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান

প্রতিবেদক: মোঃ ইসমাইল হোসেন, তেরেঙ্গানু, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার তেরেঙ্গানু রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে, অকারণে জুমার নামাজ মিস করলে মুসলিম পুরুষদের সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা তিন হাজার রিঙ্গিত জরিমানা, অথবা উভয় শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে। এ নিয়ম শরিয়াহ ফৌজদারি অপরাধ (তাকজির) আইন ২০১৬ অনুযায়ী প্রযোজ্য হবে। রাজ্যটি বর্তমানে রক্ষণশীল প্যান-মালয়েশিয়ান ইসলামিক পার্টি (পাস) শাসন করছে।

তেরেঙ্গানু রাজ্য নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য মুহাম্মদ খালিল আবদুল হাদি সতর্ক করে বলেছেন, “একবার জুমার নামাজ মিস করলেই এটি দণ্ডনীয় অপরাধ হবে। তবে শাস্তি কেবল শেষ উপায় হিসেবে আরোপ করা হবে, যখন কেউ বারবার স্মরণ করানো উপেক্ষা করবে।”

রাজ্য সরকার জানিয়েছে, মানুষকে এই বাধ্যবাধকতার কথা মনে করিয়ে দিতে মসজিদগুলোতে ব্যানার টানানো হবে, এবং অনুপস্থিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জনগণের অভিযোগ বা টহল দলের মাধ্যমে

এ পদক্ষেপ পাস দলের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যারা মালয়েশিয়ায় শরিয়াহ আইনের কঠোর প্রয়োগ চায়। দলটি দেশের পার্লামেন্টে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল এবং ১৩টি রাজ্যের মধ্যে চারটিতে শাসন করছে। অতীতে দলটি হুদুদ আইন প্রবর্তনেরও চেষ্টা করেছে, যেখানে চুরির শাস্তি অঙ্গচ্ছেদ এবং ব্যভিচারের শাস্তি পাথর নিক্ষেপের মতো বিধান ছিল।

সামাজিক মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা উঠে এসেছে। আইনজীবী আজিরা আজিজ লিখেছেন, “ইসলামে জোরজবরদস্তি নেই বলা হয়, কিন্তু এই সিদ্ধান্ত দেখাচ্ছে তেরেঙ্গানুর মুসলিম পুরুষরা জুমার নামাজে কত কম যায়। নামাজ ফরজ, তবে এটি আইনগত অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা প্রয়োজন ছিল না; সচেতনতা কর্মসূচিই যথেষ্ট ছিল।”

মালয়েশিয়ায় দ্বৈত আইনি কাঠামো বিদ্যমান—মুসলিমদের জন্য ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয়ে শরিয়াহ আইন, পাশাপাশি সিভিল আইনও কার্যকর। তিন কোটি ৩০ লাখ জনসংখ্যার দেশটিতে দুই-তৃতীয়াংশ মালয় (যারা মুসলিম), বাকি সংখ্যালঘু হিসেবে চীনা ও ভারতীয় রয়েছেন।

গত নভেম্বরে জোহর রাজ্যের শীর্ষ ইসলামি কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, মুসলিম পুরুষদের জুমার নামাজে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, গত ফেব্রুয়ারি মাসে মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ আদালত এক ডজনেরও বেশি শরিয়াহভিত্তিক রাজ্য আইন বাতিল করেছে, যা ইসলামপন্থিদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।


📰 সত্যকণ্ঠ সংবাদ
“সত্য বলার সাহসই সত্যকণ্ঠ — নির্ভীক, নিরপেক্ষ, ন্যায়ের পথে”

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2025 sottokontho.com

Desing & Developed BY ThemeNeed.com